Part 2

গ্রহানুর আঘাতে বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবার সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোচনা চলছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বিশ্বযুদ্ধে বিপর্যস্ত কোন দেশের পক্ষেই বাংলাদেশকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কোনরূপ সহায়তা প্রদান করা সম্ভব নয়। যদিও NASA এর পক্ষে মহাকাশেই গ্রহানুটির গতিপথ বদলে দেওয়া সম্ভব, কিন্তু এত বড় ব্যায়বহুল প্রজেক্ট বাস্তবায়নে আমেরিকা সরকার অর্থায়ন করবে না বলে জানিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষেও এত অল্প সময়ের মধ্যে এই অর্থ যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। এই কারনে, যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত আমেরিকা সরকারের পক্ষ থেকে, এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

আমেরিকা সরকারের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তার নিকট থেকে আমরা জানতে পারি যে, এই প্রজেক্ট বাস্তবায়নে আমেরিকা সরকারের সক্ষমতা থাকলেও চলমান মন্দা পরিস্থিতিতে অর্থ সাশ্রয় করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে অনেকে মনে করছেন। বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামোগুলো পুনর্নির্মাণে এখন প্রচুর অর্থ প্রয়োজন। ইতিপূর্বে আমেরিকা সরকার বিশ্বব্যাপী তার সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে অসহায় মানুষকে রক্ষা করতে ও দারিদ্র বিমোচনে সহায়তা দিতে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অমেরিকার যা অর্জন তা বিশ্বব্যাপী অবাধ ও উন্মুক্ত করে দিয়ে আধুনিক মানব সভ্যতা গড়ে তুলতে সহযোগীতা করেছে আমেরিকা। 

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে বিপুল অর্থ ব্যায়ে প্রজেক্ট বাস্তবায়নের বিষয়ে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করেন। কারন আমেরিকার অভ্যন্তরে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামোগুলি পুনর্নির্মাণে আমেরিকার জন্যই এখন প্রচুর অর্থ প্রয়োজন। সেই অর্থ কিভাবে যোগান দেয়া হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়। যেহেতু গ্রহানুটি আমেরিকার জন্য ঝুকিপুর্ণ নয়, সুতরাং এর গতিপথ বদলে দিতে আমেরিকা সরকার বিপুল অর্থ ব্যয় করতে সম্মত নয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা আর্জনের পর থেকে আজ পর্যন্ত এত দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশ এই সক্ষমতা অর্জন করতে না পারায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। এত বড় জনগোষ্ঠী দিন-রাত ২৪ ঘন্টা কিভাবে সময় কাটান, তা নিয়ে গবেষণার বিষয়ে অনেকে তাগাদা দিয়েছেন।


(To be continued) 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন